মৌ.স.উ.বি এর ইতিহাস
হযরত শাহ জালাল [রহ.] এর অন্যতম সঙ্গী হযরত শাহ মোস্তফা [রহ.] এর পূণ্যস্মৃতি বিজড়িত দুটি পাতা একটি কুঁড়ির শ্যামল সুষমামণ্ডিত, সবুজ বাগিচা আর বনানীর শ্যামল সমারোহসমৃদ্ধ মৌলভীবাজার জেলার ঐতিহ্যবাহী শতাব্দী প্রাচীন বিদ্যানিকেতন মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। শতাব্দী প্রাচীন এ বিদ্যালয়ের শতাব্দ ১৯৯১ সালে অতিক্রান্ত হয়েছে। আজও বিদ্যালয়ের চারদিকে সজীবতা আর সমৃদ্ধির সমাবেশ। প্রতিটি ছাত্রই এ বিদ্যালয়ের জন্য গৌরববোধ করে।
১৮৮২ সালে দক্ষিণ শ্রীহট্ট মহকুমা বা সাউথ সিলেট সাবডিভিশনের সদর দপ্তর করা হয় মৌলভী সাহেবের বাজার বা মৌলভীবাজারকে। হিংগাজিয়া,কুলাউড়া থেকে মৌলভীবাজারে স্থানান্তরিত মুনসেফ কোর্ট এর কার্যক্রম শুরু হয়। ফলে অফিস-আদালত, জেলখানা, মুনসেফ, অফিসার, উকিল-মোক্তার, ব্যবসায়ীদের বাসাবাড়ী নির্মাণের জোর তৎপরতা শুরু হয়। জন-মানুষের পদভারে পুরোপুরি শহর হয়ে যায় মনুপাড়ের মৌলভীবাজার। ইংরেজী ভাষার মাধ্যমে দেশে জ্ঞান বিকাশের ধারা বিকশিত হওয়ায় ইংরেজী স্কুল প্রতিষ্ঠার প্রতি শহরবাসী জনসাধারণের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়। ১৮৮৫ সালে আটগাঁও নিবাসী প্রসন্ন কুমার গুপ্ত মৌলভীবাজার বাসীর সহায়তায় মৌলভীবাজার শহরের মধ্যখানে ‘Moulvibazar Middle English School’ (এম.ই.স্কুল) প্রতিষ্ঠা করেন এবং তিনি নিজেই এই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা হেডমাস্টার ছিলেন। এই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন মৌলভীবাজার মুনসেফ আদালতের প্রথম মুনসেফ রায় বাহাদুর দীননাথ সরকার বি.এ.বি.এল।
১৮৮৭ সালে মৌলভীবাজার মিউনিসিপ্যালিটি প্রতিষ্ঠিত হয়। নতুন অফিস স্থাপন, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, নতুন বসত গড়ে ওঠে, জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায়। শিক্ষায় উন্নতি ও প্রসারের লক্ষে মৌলভীবাজারবাসী উদগ্রীব হয়ে ওঠেন। ছাত্রদের অসুবিধা লাঘবে শহরবাসীর পক্ষ থেকে মৌলভীবাজারে একটি উচ্চ ইংরেজী বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। উচ্চ ইংরেজি স্কুল প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন রাজনগর পাঁচগাঁও নিবাসী হরকিংকর দাস। তিনি তখন মৌলভীবাজার মুনসেফ আদালতের উকিল। বিদ্যুৎসাহী হরকিংকর দাস এবং মধ্য ইংরেজি বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও হেডমাস্টার প্রসন্ন কুমার গুপ্ত এই উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দান করেন হরকিংকর দাস ৬ মাস ওকালতি বর্জন করে প্রসন্ন কুমার গুপ্তসহ সমগ্র মহকুমা ঘুরে জনসাধারণের নিকট বিশেষ করে ধনী, বিত্তশালী ব্যক্তিদের নিকট থেকে তৎকালীন ১৩ হাজার টাকা তহবিল সংগ্রহ করেন। সর্বসম্মতিক্রমে প্রসন্ন কুমার গুপ্তের প্রতিষ্ঠিত পূর্বের মধ্য ইংরেজি বিদ্যালয়কে উন্নীত করে ১৮৯১ সালে সেটাকে পূর্ণাঙ্গরূপে মৌলভীবাজার উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়। মৌলভীবাজার উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ের প্রথম হেডমাস্টার নিযুক্ত হন দ্বিজেন্দ্র কুমার নিয়োগী এম.এ। ১৯১৩ সাল পর্যন্ত আসামের প্রতিটি জেলায় একটিমাত্র উচ্চ বিদ্যালয় সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হতো। ১৯১৪ সালে তদানীন্তন আসাম সরকার প্রত্যেক মহকুমায় একটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। মৌলভীবাজার শহরে প্রতিষ্ঠিত উচ্চ বিদ্যালয়টি আসাম সরকার সরকারীকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সে সময় স্কুলের হেড মাস্টার ছিলেন বিশ্বেশ্বর দাস গুপ্ত, সম্পাদক প্যারীলাল সোম উকিল এবং সভাপতি পদাধিকার বলে তৎকালীন মৌলভীবাজার মহকুমার মহকুমা প্রশাসক। স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি প্রথমে আপত্তি উত্থাপন করলেও পরিশেষে স্কুল পরিচালনা ও দায়িত্বভার আসাম সরকারের হাতে অর্পণ করেন। ১৯১৪ সালে আসাম সরকার কর্তৃক বিদ্যালয়ের দায়িত্বভার গ্রহণের পর বিদ্যালয়ের প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়। গভর্ণমেন্ট বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা মঞ্জুর করেন। পুরাতন খেলার মাঠের উপর ইট নির্মিত সু-দৃশ্য দালান ও প্রশস্ত একাডেমিক ভবন নির্মাণক্রমে স্কুলটিকে নতুনভাবে রূপায়িত করা হয়। সড়কের দক্ষিণ দিকস্থ বিরাট ধানক্ষেত অধিগ্রহণ করে বর্তমান খেলার মাঠ তৈরি করা হয়।
হরকিংকর দাস উকিলকে স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রথম সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। দীর্ঘকাল পরে হরকিংকর দাস আইন ব্যবসা পরিত্যাগ করে নিজ বাড়িতে যাওয়ার পর কুণ্ডু বিহারী দেব উকিল এবং তার মৃত্যুর পর প্যারীলাল সোম সম্পাদক হন।
তৎকালীন বিদ্যালয় ভবনসমূহের সাথে বর্তমান ভবনসমূহের একটুও মিল ছিল না। বর্তমান ভবনসমূহ পূর্বের খেলার মাঠের উপর নির্মিত হয়েছে। খেলার মাঠ সংলগ্ন পশ্চিমে ছিল ইট দ্বারা নির্মিত পুরনো বিদ্যালয় ভবন। উক্ত ভবনের পশ্চিম দিকে ছন-বাঁশ দিয়ে নির্মিত হয়েছিল দুটি কাঁচাঘর। উপরোক্ত দালানের উত্তর দিকে ছিল টেনিস খেলার মাঠ এবং তদুত্তরেও ছিল দুটি ছন-বাঁশের কাঁচা ঘর। পশ্চিমের কাঁচা ঘরগুলোতে ৭ম ও ৮ম অর্থাৎ নিচের দুটি শ্রেণীর ছাত্ররা অধ্যয়ন করত। মূল দালানটিতে ছিল প্রধান শিক্ষকের অফিস, শিক্ষক মিলনায়তন, পাঠাগার এবং ভূগোল শিক্ষার একটি পৃথক কক্ষ। তাছাড়া ছিল প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রদের পড়ার জন্য দুটি কক্ষ। খেলার মাঠের পূর্বদিকে ছিল গজেন্দ্র কুমার দাস পেসকারের বাসা। পশ্চিম দিকে বিদ্যালয়ের মূল দালান এবং দক্ষিণদিকে সড়ক। সড়কের দক্ষিণে ছিল অবারিত মাঠ। বর্তমান খেলার মাঠের দক্ষিণ বা পশ্চিম দিকে কোন বাসা-বাড়ির চিহ্নমাত্র ছিল না। বর্তমান দৃশ্যমান বাসাসমূহ এবং রামকৃষ্ণ মিশন এর জায়গায় ছিল ধান ক্ষেত। উক্ত মাঠের পূর্ব প্রান্তে জুবিলি পুকুরের (বর্তমান শাহ মোস্তফা সড়কস্থ ওয়াপদা পুকুর) পশ্চিম দিকে সড়কের পশ্চিমে ছিল বিদ্যালয়ের হিন্দু ছাত্রাবাস এবং তদুত্তরে পশ্চিমমুখী সড়ক সংলগ্ন দক্ষিণে অবস্থিত ছিল মুসলিম ছাত্রাবাস। তখন শ্রেণীগুলো ছিল প্রথম শ্রেণী বা First Class ২য় শ্রেণী বা Second Class. নিম্নের দিকে ৩য় শ্রেণী থেকে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত ছিল। তখনকার ৮ম শ্রেণী বর্তমানের ৩য় শ্রেণী। শিক্ষকদের পদমর্যাদাও ছিল হেড মাস্টার, সেকেন্ড মাস্টার, থার্ড মাস্টার ইত্যাদি। এইটথ মাস্টার ছিলেন সর্বনিম্ন শ্রেণীর শিক্ষক। সেকালে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে অধ্যয়নের পর একটি ফাইনাল পরীক্ষা কেন্দ্রীয়ভাবে গৃহীত হত। তৎকালীন আসাম সরকারের জনশিক্ষা বিভাগ এই পরীক্ষা গ্রহণ করতেন। জনশিক্ষা বিভাগের পরিচালক (ডি.পি.আই) স্বাক্ষরিত সনদপত্র উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদেরকে প্রদান করা হত। ১৯১৩ সালে ৩য় শ্রেণীতে (তখনকার এইটথ ইয়ার) মাসিক বেতন ছিল ৭৫ পয়সা। ক্লাস টেন-এর বেতন ছিল ২.৫০ টাকা।
উল্লেখ্য যে, বিদ্যালয়ের পুরাতন দালানের পশ্চিম দিকে কাঁচাঘরের দক্ষিণ দিকে প্রাচীন শিক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাঙ্গন হিসেবে (শ্রীনাথ মধ্য বঙ্গ) বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত ছিল। মধ্যবঙ্গ বিদ্যালয়ের প্রধান পণ্ডিত শ্রীনাথ মজুমদার মহাশয়ের নামানুসারে ‘শ্রীনাথ মধ্যবঙ্গ বিদ্যালয়’ নামে বর্তমান স্থানে স্থানান্তরিত হয়েছে। যা বর্তমানে শ্রীনাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বা বাংলা স্কুল নামে সমধিক পরিচিত। মৌলভীবাজার সরকারি স্কুলের জায়গা থেকে ৪০ শতাংশ জায়গা কর্তন করে শ্রীনাথ বিদ্যালয়ের নামে অর্পণ করা হয়েছে (ভূমি অফিস রেকর্ড সূত্রে প্রাপ্ত)।
আসাম প্রদেশের ডিরেক্টর মি. ক্যানিংহাম ১৯২৪ সালের ২০ আগস্ট প্রথমবার মৌলভীবাজার গর্ভনমেন্ট হাই স্কুল পরিদর্শন করেন। আসামের ডিরেক্টর মি. স্মল ১৯৩৬ সালে মৌলভীবাজারে আসেন এবং স্কুল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি নিম্নোক্ত মন্তব্য লিপিবদ্ধ করে যান। ‘The Government High School offers two sections in every class. It is obvious therefore that there is no need for more than one other High School in Moulvibazar.
The Kashi Nath Middle English School is aiming at development to a High School and the propritor have already given eveidence of their willingness to contribute fund. It is also receipt of a Govt. Grant.’
১৯৩৪ খ্রিঃ পর্যন্ত মৌলভীবাজার অঞ্চলে (দক্ষিণ সিলেট মহকুমা) এন্ট্রাস পরীক্ষার কেন্দ্র ছিল সিলেট। ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এন্ট্রাস পরীক্ষা কেন্দ্রের স্বীকৃতি পায় এবং ঐ বৎসর সর্বপ্রথম ছাত্ররা উক্ত কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে সমর্থ হন। ব্রিটিশ শাসনামলে সর্বমোট ১৮ জন হেডমাস্টার স্কুল পরিচালনা করেন। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর বিদ্যালয়ের প্রথম প্রধান শিক্ষক নিযুক্ত হন আব্দুস সামাদ বি.এ; বি.টি।
১৯৬১ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার ও ফোর্ড ফাউণ্ডেশনের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী পাকিস্তানী ও বিদেশী শিক্ষা বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে দেশের শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বিশটি হাই স্কুলে পাইলট স্কীম চালু করা হয়। এই শিক্ষা পদ্ধতির প্রেক্ষাপটে ১৯৬২ সনে এ বিদ্যালয়টি বহুমুখী বিদ্যালয় পর্যায়ে উন্নীত হয়। তখন থেকেই মানবিক, বাণিজ্য ও বিজ্ঞান শাখায় ছাত্রদের পড়াশুনার সুযোগ সৃষ্টি হয়। বিজ্ঞান শাখার ছাত্রদের ব্যবহারিক পাঠদানের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, সাজ-সরঞ্জাম, উপকরণসমৃদ্ধ তিনটি বিজ্ঞানাগার স্থাপন করা হয়। টিনশেড অর্ধপাকা বিল্ডিংয়ের ঐতিহ্য ছিল ‘গ্যালারি রুম’।
উনিশশো একাত্তর। অনেক রক্ত, অনেক মৃত্যু,ত্যাগ আর সংগ্রামে পৃথিবীর মানচিত্রে যে মহাকাব্য রচিত হয় তার নাম ‘বাংলাদেশ’। খাল-বিল-হাওর-নদী-পাহাড়-টিলা-ঝর্ণা ঘেরা আর বিস্তীর্ণ সবুজের নীলাভূমি অপরূপ মৌলভীবাজার জেলা। জেলার অন্যতম প্রাচীন বিদ্যালয় মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই বিদ্যালয়ে পড়ুয়া অসংখ্য ছাত্র প্রিয় মাতৃভূমিকে পাকিস্তানী শোষকের কবল থেকে মুক্ত করতে মুক্তি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েন। সারা দেশে ছড়িয়ে আছেন মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র সেইসব স্বপ্নপুরুষেরা-যাঁদের জন্য গর্বিত মা-মাটি আর দেশ। ১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর মৌলভীবাজার পাক হানাদারমুক্ত হয়। ঐ সময়ে বিদ্যালয়টি ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়কেন্দ্র/ ক্যাম্প। ২০ ডিসেম্বর ঐ আশ্রয়কেন্দ্র/ ক্যাম্পে Anti-tank Mine বিস্ফোরণে ২৪ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাত বরণ করেন। তাঁদেরকে বিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের দক্ষিণ পাশে সমাহিত করা হয়। সেই বীর শহিদগণ হলেন:
১. শহিদ সুলেমান মিয়া, ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট
২. শহিদ রহিম বক্স খোকা, পিতা- তাহের বক্স, শাহ মোস্তফা রোড, মৌলভীবাজার
৩. শহিদ ইয়ানুর আলী, পিতা- মৃত মোঃ লোকমান মিয়া, লালায়চক তেলিবিদ, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার
৪. শহিদ আয়কর আলী, পিতা- মৃত হাদি উল্লা, মনোহরপুর, শরীফপুর, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার
৫. শহিদ জাহির মিয়া, পিতা- মৃত আফতাব মিয়া, লালারচক তেলিবিল, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার
৬. শহিদ ইব্রাহিম আলী, পিতা- ইউনুছ মিয়া, মহোনরপুর, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার
৭. শহিদ আব্দুল আজিজ, পিতা- মৃত আনাউদ্দিন, কৃষ্ণপুর, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার
৮. শহিদ প্রদীপ চন্দ্র দাস, পিতা- মৃত পরেশ চন্দ্র দাস, টেংরা বাজার, রাজনগর, মৌলভীবাজার
৯. শহিদ শিশির রঞ্জন দেব, পিতা- মৃত শশী মোহন দেব, শ্বাসমহল, রাজনগর, মৌলভীবাজার
১০. শহিদ সত্যেন্দ্র দাস, পিতা-সুরেশ চন্দ্র দাস, ধুলিঝুরা, রাজনগর, মৌলভীবাজার
১১. শহিদ অরুণ দত্ত, পিতা- মৃত অবণী দত্ত, শ্বাসমহল, রাজনগর, মৌলভীবাজার,
১২ শহিদ দিলীপ দেব, পিতা- মৃত অতুল চন্দ্র দেব, রাজখলা, রাজনগর, মৌলভীবাজার
১৩. শহিদ সনাতন সিংহ, পিতা- মৃত বাবু সেনা সিংহ, নলডরী, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার
১৪. শহিদ নন্দলাল বাউরী, পিতা- মৃত সুবল বাউরী, চাতলাপুর, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার
১৫. শহিদ সমীর চন্দ্র সোম, পিতা- মৃত সুধীর কুমার সোম, জাঙ্গালিয়া রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
১৬. শহিদ কাজল পাল, নয়া সড়ক, সিলেট
১৭. শহিদ হিমাংশু কর, পিতা- মৃত মনধর কর, সাবিয়া চাঁদনীঘাট, মৌলভীবাজার
১৮. শহিদ জিতেশ চন্দ্র দেব, পিতা- মৃত কুমুদ চন্দ্র দেব, মাতারকাশন, মৌলভীবাজার
১৯. শহিদ আব্দুল আলী, পিতা- মৃত হাবিব উল্লা, লালারচক তেলিবিল, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার
২০. শহিদ নুরুল ইসলাম, খানা ও জেলা- ম্যামনসিংহ
২১. শহিদ মোস্তফা কামাল, থানা ও জেলা- ময়মনসিংহ
২২. শহিদ আশুতোষ দেব, পিতা- মৃত ঠাকুরমণি দেব, ইছবপুর, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
২৩. শহিদ তরণী দেব, পিতা- মৃত নর্মদা চরণ দেব, টেংরা, রাজনগর, মৌলভীবাজার এবং
২৪. শহিদ নরেশ চন্দ্র ধর, পিতা- মৃত ইন্দ্রমণি ধর, কামালপুর, মৌলভীবাজার।
শতাব্দীর সীমানা পেরিয়ে গেলেও ১৯৯১ সাল পর্যন্ত বিদ্যালয়ের বাহ্যিক অবস্থা ছিল নিতান্তই জরাজীর্ণ। বিদ্যালয়ের শোচনীয় দৈন্যদশা আপামর জনসাধারনের মর্মবেদনার কারণ হয়েছিল। পশ্চিমের ভগ্নপ্রায় শ্রেণিকক্ষ ভবনটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। উপেক্ষিত এ বিদ্যালয়ের প্রতি অবশেষে দৃষ্টি পড়ে এ বিদ্যালয়ের কৃতি ছাত্র গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম, সাইফুর রহমানের। ২২/১১/১৯৯১ সালে বহুতল শ্রেণিকক্ষ ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে ২১/০৮/১৯৯২ সালে এর শুভ উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী এম, সাইফুর রহমান। ভবনটির নামকরণ করা হয়েছে সাইফুর রহমান হল। বিদ্যালয়ের মাঠের উত্তর-পশ্চিম কোণে ১৮/১২/১৯৯২ সালে অডিটোরিয়ামের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে ২২/১০/১৯৯৪ সালে এর উদ্বোধন করা হয়। এম, সাইফুর রহমানের নির্দেশে বিদ্যালয়ের চারপাশে এবং ছাত্রাবাসসহ খেলার মাঠের চারপাশের বেস্টনী প্রাচীর নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে রয়েছে ১ টি প্রশাসনিক ভবন, ২ টি একাডেমিক ভবন, ১ টি প্রশিক্ষণ ভবন, ১ টি স্কাউট ও বিএনসিসি ভবন, ২ টি ছাত্রাবাস ,১টি অডিটোরিয়াম, ১ টি প্রধান শিক্ষকের বাসভবন ও ১ টি জামে মসজিদ । বিদ্যালয় ক্যাম্পসেই রয়েছে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার, শহিদ স্মৃতি ফলক, জুলাই স্মৃতি ফলক, সমন্বিত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ছাত্রাবাস। বর্তমানে নির্মানাধীন রয়েছে ৬ তলা ১টি ভবন।
যোগাযোগ ব্যবস্থা:
বিদ্যালয়টি মৌলভীবাজার জেলা সদরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। কুলাউড়া- মৌলভীবাজার আন্তঃমহাসড়কের পশ্চিম পার্শ্বে মৌলভীবাজার পৌরসভাধীন ড. সৈয়দ মুজতবা আলী সড়কের (সাবেক পুরাতন হাসপাতাল সড়ক) দুইপাশে বিদ্যালয়ের মনোরম ক্যাম্পাসের অবস্থান। মৌলভীবাজার শহরের চৌমুহনা থেকে ৩০০ মিটার দক্ষিণ- পশ্চিমে, পৌরসভা থেকে ১৫০ মিটার পশ্চিমে এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ৫০০ মিটার উত্তরে বিদ্যালয়টির অবস্থান।
বিদ্যালয়ের কৃতী শিক্ষার্থীবৃন্দ:
ঐতিহ্যবাহী মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রদের মধ্যে যাঁরা জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখেছেন তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন:
বীর মুক্তিযোদ্ধা:
- শহিদ মো: আব্দুল মুকিত, এসএসসি ১৯৬৯ব্যাচ
- শহিদ কৃপেশ রঞ্জন কর রানু, এসএসসি ১৯৬৯ব্যাচ
- শহিদ মো: আব্দুস শহীদ, এসএসসি ১৯৬৯ ব্যাচ
- শহিদ রহীম বক্স খোকা, এসএসসি ১৯৬৬ ব্যাচ
রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব:
- মহীতোষ পুরকায়স্থ , সংগ্রামী, প্রাক্তন মন্ত্রী
- অবলা কান্ত গুপ্ত চৌধুরী, আসাম বিধান সভা ও পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য
- এম সাইফুর রহমান, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী
- শাহ এ এম এস কিবরিয়া , অর্থমন্ত্রী
- মোঃ ইলিয়াছ, সংসদ সদস্য
- আজিজুর রহমান, সংসদ সদস্য ও বিরোধীদলীয় হুইপ
- লুৎফুর রহমান, সংসদ সদস্য
- সৈয়দ মহসীন আলী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
- সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ, সংসদ সদস্য ও ডাকসু ভিপি
- নেছার আহমদ, সংসদ সদস্য
প্রশাসন ও অন্যান্য ক্ষেত্র:
- ড. সৈয়দ মুজতবা আলী, রম্য রচয়িতা ও সাহিত্যিক
- সৈয়দ মোস্তফা আলী, ডেপুটি ম্যাজিস্টেট
- সৈয়দ মুর্তাজা আলী, বিভাগীয় কমিশনার, বাংলা একাডেমীর পরিচালক
- সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী, পররাষ্ট্র সচিব ও রাষ্ট্রদূত
- সিরাজুল ইসলাম, বিচারপতি
- নূরুল হোসেন খান, সচিব
- আলী হায়দার খান, সচিব
- আবদুল মুকিত খান, জেলা ও দায়রা জজ
- ড. রংগলাল সেন, জাতীয় অধ্যাপক
- ড. মোফাজ্জল করিম, সচিব ও রাষ্ট্রদূত
- ড. আবেদ চৌধুরী, বিশিষ্ট জিন বিজ্ঞানী
- সালাউদ্দিন আহমদ, সচিব
- ড. খলিলুর রহমান, উপাচার্য ও চেয়ারম্যান, আনবিক শক্তি কমিশন।
- ড. সৈয়দ মুহিব উদ্দিন, উপাচার্য
- মেজর (অবঃ) খালিদুর রহমান
- মেজর আব্দুল মতিন
- আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী, সচিব ও উপদেষ্টা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার
- ড. অনাদী রঞ্জন ভট্টাচার্য, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী
- সৈয়দ আবদুল মুক্তাদির, অতিরিক্ত সচিব
- সৈয়দ বজলুল করিম, পরিচালক, জনতা ব্যাংক
- ড. আবু তাহের মোঃ জামিল, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ
- এ.এফ. এম ইয়াহিয়া চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব
- ড. শফিকুর রহমান, উপাচার্য
- আবদুল কাদির মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব
- আহমদ মাহমুদুর রাজা চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব
- বদরুল আলম তরফদার, সচিব
- মুসলেহ উদ্দিন আহমদ তারেক, সাবেক উপাচার্য
- বনমালী ভৌমিক, সচিব
- মো: শামসুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যাংকার
- মো: মুহিবুর রহমান, মহাপরিচালিক, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকবৃন্দ: (১৮৯১- ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত)
১) দ্বিজেন্দ্রনাথ নিয়োগী-এম.এ
২) শরচ্চন্দ্র চৌধুরী- বি.এ
৩) বৃন্দাবন দাস- বি.এ
৪) যজ্ঞেশ্বর মন্ডল-বি.এ
৫) গুরুনাথ মিত্র-বি.এ
৬) বিশ্বেশ্বর দাসগুপ্ত-বি.এ
৭) সতীশ চন্দ্র দাস
৮) বারীন্দ্র নাথ আদিতা
৯) সারদাচরণ ভট্টাচার্য্য-বি.এ
১০) সারদা চরণ গাঙ্গুলী
১১) যামিনীয় কুমার ভট্টাচার্য্য (তাঁর সময়ে ১৯৪৩ সনে বিদ্যালয়ের স্বর্ণজয়ন্তী পালিত হয়)
১২) বিপিন চন্দ্র বর্মণ-বি.এ
১৩) উমেশ চন্দ্র দত্ত-বি.এ
১৪) কেদার নাথ চৌধুরী-বি.এ.বি.টি
১৫) গিরীন্দ্র ব্যানার্জী ১৬) কেদারেশ্বর চৌধুরী
১৭) গোপাল সেন
১৮) হরেন্দ্র কুমার ভট্টাচার্য্য (দেশ বিভাগকালীন সময়ে)।
প্রধান শিক্ষকগণ (১৯৪৭ খৃঃ হইতে)
| ক্রমিক নং | নাম | শিক্ষাগত যোগ্যতা | কার্যকাল | |
| হইতে | পর্যন্ত | |||
| ১ | জনাব আব্দুস সালাম | বি.এ.বি.টি. | ১-৯-৪৭ | ১৪-২-৪৯ |
| ২ | জনাব সজ্জাদ আলী চৌ: | বি.এ.বি.টি. | ১৫-২-৪৯ | ১৫-৫-৪৯ |
| ৩ | জনাব আব্দুল আলী চৌঃ ভা: প্রা: | বি.এ.বি.টি. | ১৬-৫-৪৯ | ১৬-১১-৪৯ |
| ৪ | জনাব মো: ফজলুল কবীর | বি.এস.সি.বি.টি. | ১৭-১১-৪৯ | ১০-৩-৫১ |
| ৫ | জনাব আব্দুল হামিদ, বিদেশে শিক্ষাপ্রাপ্ত | বি.এস.সি.বি.টি. | ১১-৩-৫১ | ২৯-১০-৫৪ |
| ৬ | জনাব আবুল হাসনাত মো: মহসীন | এম.এ.বি.টি. | ৩০-১০-৫৪ | ২০-৪-৫৫ |
| ৭ | জনাব আব্দুল হামিদ | বি.এস.সি.বি.টি. | ২১-৪-৫৫ | ১৩-১-৫৭ |
| ৮ | জনাব সৈয়দ আলতাফ হোসেন | এম.এ.বি.টি. | ১৪-১-৫৭ | ১৬-৭-৫৭ |
| ৯ | জনাব আব্দুল ওয়াহিদ চৌ: | বি.এ. অনার্স.বি.টি. | ১৭-৭-৫৭ | ২৭-৩-৬৩ |
| ১০ | জনাব কেরামত উল্লাহ্ | বি.এস.সি.বি.টি. | ২৮-৩-৬৩ | ২৩-১২-৬৫ |
| ১১ | জনাব তজম্মুল হোসেন চৌ: ভা: প্রা: | বি.এস.সি.বি.টি. | ২৭-১-৬৬ | ২৮-২-৬৬ |
| ১২ | জনাব নূর আহম্মদ খান | বি.এ.বি.টি. | ১-৩-৬৬ | ৫-১০-৬৬ |
| ১৩ | জনাব মশহুদ বক্ত চৌধুরী | বি.এ.বি.টি. | ৩১-১০-৬৬ | ৩০-৫-৭২ |
| ১৪ | জনাব সৈয়দ শামছুল ইসলাম ভা: প্রা: | বি.এ.বি.টি. | ১-৬-৭২ | ১২-১১-৭২ |
| ১৫ | জনাব বদিউর রহমান | বি.এ.বি.টি. | ১৩-১১-৭২ | ২৯-১-৭৩ |
| ১৬ | জনাব সৈয়দ শামছল ইসলাম ভা: প্রা: | বি.এ.বি.টি. | ৩০-১-৭৩ | ২৭-২-৭৩ |
| ১৭ | জনাব মনির উদ্দিন আহমদ | বি.এ.বি.টি. | ২৮-২-৭৩ | ২৪-৬-৭৩ |
| ১৮ | জনাব মোহাম্মদ আলী | বি.এ.বি.টি.এম.এড | ২৫-৬-৭৩ | ৬-১০-৭৮ |
| ১৯ | বাবু অরবিন্দ দাশ, ভারপ্রাপ্ত | বি.এ.বি.টি | ৬-১০-৭৮ | ২৩-২-৭৯ |
| ২০ | বাবু অরবিন্দ দাশ | বি.এ.বি.টি. | ২৪-২-৭৯ | ২৮-১১-৮০ |
| ২১ | বাবু কামিনী কুমার সিংহ ভা: প্রা: | বি.এস.সি.বি.টি. | ২৯-১১-৮০ | ১৯-১১-৮১ |
| ২২ | বাবু শৈলেশ রঞ্জন দেব | বি.এস.সি.বি.টি. | ২০-১১-৮১ | ২৭-১১-৮১ |
| ২৩ | বাবু কামিনী কুমার সিংহ ভা: প্রা: | বি.এস.সি.বি.টি. | ২৮-১১-৮১ | ১০-৪-৮৩ |
| ২৪ | জনাব আহমদ আলী | বি.এস-সি.ডিপ্-ইন-এড | ১১-৪-৮৩ | ৬-২-৮৫ |
| ২৫ | বাবু কামিনী কুমার সিংহ ভা: প্রা: | বি-এস.সি.বি.টি. | ৭-২-৮৫ | ২-১২-৮৭ |
| ২৬ | বাবু কামিনী কুমার সিংহ | বি-এস.সি.বি.টি. | ৩-১২-৮৭ | ৩০-৩-৮৮ |
| ২৭ | জনাব ফখর উদ্দিন মো: মাহমুদ ভা: প্রা: | বি.কম.বি.এড. | ৩১-৩-৮৮ | ২৭-৭-৮৮ |
| ২৮ | জনাব মো: আজিজুল হক | বি.এ. (অনার্স) বি.টি | ২৮-৭-৮৮ | ৬-৯-৯০ |
| ২৯ | জনাব মো: মবশ্বির আলী ভা: প্রা: | বি.কম.বি.এড. | ৭-৯-৯০ | ০২-০২-৯১ |
| ৩০ | জনাব বশির উদ্দিন আহমদ চৌঃ ভা: প্রা: | বি.কম.বি.এড. | ৩-২-৯১ | ১০-২-৯১ |
| ৩১ | জনাব মো: আছাদ উদ্দিন তফাদার ভা: প্রা: | বি.এ.বি.এড. | ১১-২-৯১ | ১৪-৩-৯১ |
| ৩২ | জনাব মো: মবশ্বির আলী ভা: প্রা: | বি.কম.বি.এড. | ১৪-৩-৯১ | ৮-১০-৯৩ |
| ৩৩ | জনাব মো: মবশ্বির আলী | বি.কম.বি.এড. | ৯-১০-৯৩ | ৩০-৮-৯৭ |
| ৩৪ | জনাব রঞ্জিত কুমার দাস ভা: প্রা: | বি.এ.বি.এড. | ৩০-৮-৯৭ | ১১-৫-৯৮ |
| ৩৫ | জনাব বশির উদ্দিন আহমদ চৌ: | বি.কম.বি.এড | ১২-৫-৯৮ | ২৯-০৬-৯৯ |
| ৩৬ | বেগম নূরুন নাহার ভা: প্রা: | বি.এ.বি.এড. | ৩০-৬-৯৯ | ১৩-৬-২০০০ |
| ৩৭ | বেগম নূরুন নাহার | বি.এ.বি.এড. | ১৪-৬-২০০০ | ২৯-৯-২০০১ |
| ৩৮ | জনাব মো: ইসমাইল খান ভা: প্রা: | বি.এস.সি.বি.এড. | ৩০-৯-২০০১ | ৮-৭-২০০২ |
| ৩৯ | জনাব মো: মনাওয়ার আলী ভা: প্রা: | বি.এস.সি.বি.এড. | ৯-৭-২০০২ | ২-২-২০০৩ |
| ৪০ | বাবু দেবেশ রঞ্জন ভট্টাচার্য্য দাঃ প্রাঃ | এম.এ.বি.এড. | ৩-২-২০০৩ | ১৯-২-২০০৩ |
| ৪১ | বাবু প্রীতি বিকাশ পাল চৌধুরী ভা: প্রা: | বি.এস-সি.বি.এ | ২০-২-২০০৩ | ৮-৭-২০০৪ |
| ৪২ | বাবু দেবেশ রঞ্জন ভট্টাচার্য্য ভা: প্রা: | এম.এ.বি.এম | ৯-৭-২০০৪ | ২৯-৮-২০০৪ |
| ৪৩ | বাবু প্রীতি বিকাশ পাল চৌ. চঃ দাঃ | বি.এস.সি.বি. এড. | ৩০-৮-২০০৪ | ২৮-১২-২০০৫ |
| ৪৪ | বাবু প্রীতি বিকাশ পাল চৌধুরী | বি.এস.সি.বি. এড. | ২৯-১২-২০০৫ | ৩১-০৭-২০০৭ |
| ৪৫ | বাবু বিজয় কুমার দাস চঃ দাঃ | বি.এস.সি.ডিপ-ইন-এড. এম.এড | ৩১-০৭-২০০৭ | ১৩-০৩-২০১৪ |
| ৪৬ | জনাব মোঃ আব্দুস শহীদ ভাঃ প্রাঃ | বি.এ.বি.এড.এম.এড | ১৩-০৩-১০১৪ | ১০-০৭-২০১৪ |
| ৪৭ | জনাব নরেশ চন্দ্র দাস | এম.এস.এস.এম.এড বি.সি.এস (সাধারণ শিক্ষা) | ১০-০৭-২০১৪ | ২৯-০৮-২০১৫ |
| ৪৮ | জনাব শংকরানন্দ ভট্টাচার্য্য দাঃ প্রাঃ | বি.এ, বি.এড | ২৯-৮-২০১৫ | ০৬-০৯-২০১৫ |
| ৪৯ | জনাব মোহাম্মদ ফজলুর রহমান | এম.এস,এস.এ.বি.এড. বি.সি.এস (সাধারণ শিক্ষা) | ০৬-০৯-২০১৫ | ২৬-১২-২০২০ |
| ৫০ | জনাব আ.খ.ম. ফারুক আহমদ ভা: প্রা: | এম.এম.এম.এ.বি.এড | ২৬-১২-২০২০ | ০৮-০৬-২০২২ |
| ৫১ | জনাব আ.খ.ম. ফারুক আহমদ | এম.এম.এম. এ বি.এড বি.সি.এস (সাধারণ শিক্ষা) | ০৯-০৬-২০২২ | ০৯-০৪-২০২৪ |
| ৫২ | জনাব আবুল কাশেম ভা. প্রা. | এম.কম.এম.পি.এড | ০৯-০৪-২০২৪ | ০৩-০৭-২০২৫ |
| ৫৩ | তুলসী রানী সরকার ভা. প্রা: | এম.এস.এস.এম.এড | ০৩-০৭-২০২৫ | অদ্যাবধি |